মিনিকেট, আঠাশ, উনত্রিশ এগুলো কোন চাউল???
আজ থেকে ১৫/২০ বছর আগেও বাজারে মিনিকেট, আঠাশ, উনত্রিশ এই চাউল গুলোর অস্তিত্ব ছিল না। বাজারে তখন ভাতের চাউল ছিল পায়জাম, পাড়ী, স্বর্ণ, নাজিরশাইল, কলম এবং কাটারী।
❌ মিনিকেট নামে কোন ধান চাষ হয়না বাংলাদেশে।
তাহলে, এই চাউল বাজারে আসে কোথা থেকে- এই প্রশ্নের উত্তর খুব সহজ, মিনিকেট চাউল তৈরী হয় অটোমেটিক রাইস মিলে। গত দুই দশক ধরেই খাবার টেবিলে তা শোভা বাড়াচ্ছে। কারণ এই চাউল চিকন ও সাদা ভাত হয়।
? দেশী জাতের মোটা চাউলকে বিভিন্ন ক্যামিকেল দিয়ে প্রসেস করে অটোম্যাটিক রাইস মিলে এইসকল হাইব্রিড চাউল তৈরি করা হয়। প্রসেস করার বিভিন্ন পর্যায়ে সোডিয়াম, স্যালাইন, এরারুটের মিশ্রণ, সোয়াবিন তেল, ফিটকারি, বরিক পাউডার ব্যবহার করা হয়। প্রতি মৌসুমেই বের হয় নিত্য নতুন কৌশল। এখানেই শেষ নয়, পলিশার মেশিনের মাধ্যমে পলিশ করলেই হয়ে গেল মিনিকেট।
❌ হাইব্রিড চাউলে কখনো পোকা ধরেনা। কারণ পোকাও জানে এই চাউল খাওয়ার যোগ্য নয়, এতে পুষ্টিগুণ নেই।
পক্ষান্তরে পায়জাম, পাড়ী, কলম, কাটারী এগুলা সনাতনী চাউল। কালের পরিক্রমায় অধিকাংশ সনাতনী চাউল হারিয়ে গেলেও কাটারী চাউল এখনো টিকে আছে। তাই নিজের সুস্বাস্থের কথা চিন্তা করে হাইব্রিড চাউলের পরিবর্তে সনাতনী চাউলের ভাত খাওয়াই শ্রেয়।